শক্তিশালী সুপার এল নিনো নিয়ে বিজ্ঞানীদের সতর্কতা, বাড়তে পারে জলবায়ুর প্রভাব
শক্তিশালী এল নিনো ও ইতিবাচক ভারত মহাসাগরীয় ডাইপোল দক্ষিণ এশিয়ায় তাপ, বৃষ্টিপাত ও কৃষিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে সতর্ক করছেন বিজ্ঞানীরা।
Truth Beyond Boundaries
১৪ অক্টোবর, ২০২৬
জলবায়ু, সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য, জ্বালানি ও প্রকৃতি।
শক্তিশালী এল নিনো ও ইতিবাচক ভারত মহাসাগরীয় ডাইপোল দক্ষিণ এশিয়ায় তাপ, বৃষ্টিপাত ও কৃষিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে সতর্ক করছেন বিজ্ঞানীরা।
জুনে বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা ১৬.৫৪°C-এ পৌঁছায়; সমুদ্রের তাপমাত্রাও জুনের রেকর্ডে সর্বোচ্চ ছিল।
বারবার তাপপ্রবাহ ও খরায় ইউরোপের নদীগুলো রেকর্ড নিম্নস্তরে নেমেছে, বাড়ছে দাবানল এবং কৃষি, জ্বালানি ও পরিবহনে চাপ।
টানা বর্ষণ ও নদীর পানি বাড়ায় বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় বন্যা, আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের ঝুঁকি বাড়ছে।
সুমেরু অঞ্চলে দ্রুত উষ্ণায়ন ও বরফ গলার কারণে বিশ্বজুড়ে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ছে, যা উপকূলীয় শহর ও জনগোষ্ঠীর জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করছে।
২০২৬ সালের গ্রীষ্মে ইউরোপজুড়ে ছড়িয়ে পড়া দাবানল প্রমাণ করছে যে জলবায়ু সংকট এখন আর কেবল ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে সীমাবদ্ধ নেই।
এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী মৌসুমি বৃষ্টিতে বন্যা, অবকাঠামো, কৃষি ও জনজীবনের ঝুঁকি বাড়ছে।
দক্ষিণ এশিয়ায় তীব্র গরম আরও ঘন ঘন ও আগেভাগে আসছে, বাড়ছে স্বাস্থ্য, জীবিকা ও অবকাঠামোর ঝুঁকি।
চরম তাপ দক্ষিণ এশিয়ায় কর্মসংস্থান, উৎপাদনশীলতা ও আয় ক্ষয় করছে, ফলে এটি আর শুধু আবহাওয়ার সমস্যা নয়—উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তার প্রশ্নও।
দ্রুত নগরায়ন ও দুর্বল বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ঢাকার সড়ক, ড্রেন ও নদীগুলোতে বাড়ছে বর্জ্যের চাপ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নির্গমন ও ধুলা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে শীতেই আবার খারাপ হতে পারে ঢাকার বায়ুমান।
ভারমন্টের কঠোর খাদ্যবর্জ্য নীতি নতুন এক সংকট সামনে এনেছে: ল্যান্ডফিল ও নিঃসরণ কমাতে গিয়ে কৃষিজমিতে মাইক্রোপ্লাস্টিক বাড়তে পারে।